


দীর্ঘ রাজনৈতিক টানাপোড়েনের পর দেশ যখন একটি অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের দ্বারপ্রান্তে, তখন নতুন করে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করার অপতৎপরতা অত্যন্ত

স্বাধীনতার সুবাতাস মানুষের হৃদয়ে যে গভীর স্পন্দন তোলে, তা কোনো একদিনের আবেগে সীমাবদ্ধ নয়; বরং এটি একটি জাতির আত্মপরিচয়, আত্মমর্যাদা

ধর্ষণ একটি গুরুতর অপরাধ যা সামাজিক, ধর্মীয় ও আইনি দৃষ্টিকোণ থেকে সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। এটি কেবল একজন ব্যক্তির বিরুদ্ধে সহিংসতা নয়,

ধর্ষণের ঘটনা দিন দিন বেড়ে চলেছে, যা সমাজের জন্য একটি বড় হুমকি। বিভিন্ন গবেষণা অনুযায়ী, ধর্ষণের পেছনে একাধিক কারণ রয়েছে।

ধর্ষণ হল এক ধরনের যৌন সহিংসতা, যেখানে একজন ব্যক্তির সম্মতি ছাড়া তার উপর জোরপূর্বক যৌন সম্পর্ক চাপিয়ে দেওয়া হয়। এটি

ধর্ষণ একটি মারাত্মক অপরাধ এবং এটি শুধু শিকার ব্যক্তির শারীরিক এবং মানসিকভাবে ক্ষতি করে না, বরং সমাজে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে।

বর্তমানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সহিংসতা ও গ্যাং কালচারের প্রবণতা ভয়ংকরভাবে বেড়ে গেছে। একসময় এসব কার্যকলাপ কিছু নির্দিষ্ট এলাকার

বর্তমানে অধিকাংশ শিক্ষার্থী দীর্ঘসময় মোবাইল ফোনে ডুবে থাকে। বিশেষ করে ফেসবুক, টিকটক, ইউটিউবের প্রতি মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি তাদের শিক্ষাজীবন ও মানসিক

নেশার জালে আটকা পড়ছে ছাত্রসমাজ বর্তমানে ছাত্রসমাজের একটি বড় অংশ মাদকের ভয়ংকর জালে আটকে পড়ছে। বিশেষ করে স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের মধ্যে

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের অতিথিকক্ষটি (গেস্টরুম) পরিপাটি করে সাজানো। একদিকে দুই শিক্ষার্থী একাডেমিক পড়ালেখায় ব্যস্ত, অন্যদিকে সোফায় বসে পাঁচ
