
আয়েশা আক্তার
সাড়ে ১৫ বছরে দেশের ব্যাংক খাতে নজিরবিহীন লুটপাট চালিয়েছে ক্ষমতাচ্যুত হাসিনা সরকার। আর এ লুটপাটে বড় ভূমিকা রাখেন বাংলাদেশ ব্যাংকের সাবেক তিন গভর্নর— ড. আতিউর রহমান, ফজলে কবির ও আবদুর রউফ তালুকদার।
তদন্ত সূত্র বলছে, ব্যাংক দখল, ঋণ জালিয়াতি, রিজার্ভ চুরি এবং ছাপানো টাকা পাচারের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডের নেপথ্যে ছিলেন তারা। এর ফলে দেশের অর্থনীতি আজ ভয়াবহ সংকটে।
ইতোমধ্যেই দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক), সিআইডি ও বাংলাদেশ ফাইন্যান্সিয়াল ইন্টেলিজেন্স ইউনিট (বিএফআইইউ) তাদের বিরুদ্ধে তদন্ত শুরু করেছে। বাদ যাচ্ছেন না সাবেক ডেপুটি গভর্নর এসকে সুর চৌধুরী ও বিএফআইইউ’র সাবেক প্রধান মাসুদ বিশ্বাসও।
তদন্তে যেসব বিষয় খতিয়ে দেখা হবে—
রাজনৈতিক বিবেচনায় ঋণ পুনর্গঠন ও খেলাপিদের ছাড়
ব্যাংক দখল করে লুটপাট
রিজার্ভ চুরির নেপথ্য ও অর্থ পাচার
করোনাকালে ও বৈশ্বিক মন্দার সময় ছাপানো টাকা বাজারে ছাড়ার অনিয়ম
হলমার্ক, বেসিক ব্যাংক, ক্রিসেন্ট, অ্যাননটেক্স গ্রুপের ঋণ জালিয়াতি
ইসলামী ব্যাংকসহ ১০টির বেশি ব্যাংক দখল
তদন্তকারী সংস্থাগুলোর মতে, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রায় ৫ লাখ কোটি টাকা ব্যাংক খাত থেকে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। এই ক্ষতি পোষাতে প্রয়োজন কমপক্ষে ৪ লাখ কোটি টাকা।
দেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ার এ দায় থেকে সাবেক গভর্নররা রেহাই পাবেন না বলেই মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।












